তিন গোল বাতিলের পরও দারুণ জয় রিয়ালের


লা লিগার নতুন মৌসুমে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এর মধ্যে প্রথম দুটিতে গোল করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। কিন্তু গতকাল শনিবার মায়োর্কার বিপক্ষে কোনো গোল করতে পারেননি ফরাসি তারকা।
এমবাপে গোল করতে না পারলেও মায়োর্কার বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে রিয়াল। লস বাঙ্কসদের এই জয় এসেছে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর সুবাদে। এ নিয়ে মৌসুমের তিন ম্যাচের সবগুলোতেই জিতলো রিয়াল।
৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে রিয়াল। এক ম্যাচ কম খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভিয়ারিয়াল।
শনিবার ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়ালের জয়টি আরও বড় ব্যবধানের হতে পারতো। পরপর তিনটি গোল বাতিলের কারণেই সেটি হয়নি। বাতিল হওয়া তিন গোলের দুটিই এমবাপের। বাকি একটি সতীর্থ আর্দা গুলারের।
রিয়াল আক্রমণে থাকলেও প্রথমে গোল করে মায়োর্কা। চমক দেখানো গোলটি আসে ম্যাচের ১৮ মিনিটে। পাবলো তোরের ইনসুইং কর্নারে অরেলিয়ান চুয়ামেনির সঙ্গে চ্যালেঞ্জে গিয়ে ভেদাত মুরিকির পিঠে লেগে বল ঢুকে যায় রিয়ালের জালে। এতে মায়োর্কা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
২৫ মিনিটে আবারও তোরের দারুণ পাস থেকে মুরিকি গোলের কাছাকাছি চলে যান। তবে ব্যবধান বাড়াতে পারেননি।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে মায়োর্কা গোলরক্ষক লিও রোমান সৌভাগ্যক্রমে রক্ষা পান। চুয়ামেনির দূরপাল্লার শট তার হাত ফসকে প্রায় জালে ঢুকে যাচ্ছিল, কিন্তু সামান্য বাইরে চলে যায়।
তবে ৩৭ মিনিটে আর ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি লিও রোমানকে। এক কর্নার থেকে ডিন হুইসেন বল মাথায় করে ডিফ্লেক্ট করলে গুলার কাছ থেকে গোল পেয়ে যান।
মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরেই ফেডেরিকো ভালভার্দের বল দখল থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে ভিনিসিয়ুস পোস্টে লেগে জালে বল পাঠান। জয়ের জন্য এটিই যথেষ্ট হয় রিয়ালের।
ম্যাচের শুরুতেই ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের নিখুঁত পাস থেকে এমবাপে গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ফের অফসাইডের ফাঁদে আরও একটি গোল বাতিল হয় ফরাসি তারকার।
৫৫ মিনিটে রিয়াল ভেবেছিল ব্যবধান ৩-১ এ বাড়িয়েছে। ফ্রাঙ্কো মাসতানতুনোর শট রোমান ঠেকালেও গুলার ফিরতি শটে বল জালে ফেলেন। কিন্তু ভিএআর রিভিউয়ের পর দেখা যায়, গুলালের হাতে বল লেগেছে।
৬২ মিনিটে ম্যাচে প্রায় সমতায় ফিরেই গিয়েছিল মায়োর্কা, যদি ফুল-ব্যাক আলভারো কারেরাস গোললাইন থেকে অবিশ্বাস্য ক্লিয়ারেন্স না করতেন। শেষমেশ পিছিয়ে থেকেই ঘরে ফিরতে হয় মায়োর্কাকে।