ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে এলো ১২৬০ টন চাল


দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে পাঁচটি চালানে ১২৬০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৬টি ট্রাকে ২১০ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন রবিবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ৯টি ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন, রবিবার (২৪ আগস্ট) ৬টি ট্রাকে ২১০ মেট্রিক টন, বুধবার (২৭ আগস্ট) দুটি চালানে ১২ ট্রাকে ৪২০ মেট্রিক টন, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ৩ ট্রাকে ১০৫ মেট্রিক টন, গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৬ ট্রাকে ২১০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এ নিয়ে ৫ চালানে মোট আমদানি হয়েছে ১২৬০ মেট্রিক টন চাল।
আমদানিকারকরা বলেন, ‘দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে বড় আকারের চাল আমদানি শুরু করেছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের দাম কমে আসার আশা করা হচ্ছে।’
গনি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, বিভিন্ন চালান বন্দর দিয়ে প্রবেশ করছে এবং পণ্য ছাড়করণের কাজ করছে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ ও কাবেরী এন্টারপ্রাইজ নামের দুইটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি বাবলু রহমান জানান, আমদানিকৃত চালের ছাড়করণের জন্য কাস্টমসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে। বন্দর অভ্যন্তরে থাকা সব চাল আজ রবিবার কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের মাধ্যমে খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, ‘চার মাস বন্ধ থাকার পর এবার বেনাপোল বন্দরে চাল আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ায় বন্দরটিতে আবার কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।’
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘আমদানিকৃত চাল দ্রুত ছাড়করণের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল এই বন্দর দিয়ে সবশেষ চাল আমদানি হয়েছিল।’